তবে জরিমানা পরিশোধের এই প্রক্রিয়ার পেছনে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করার বিষয়টিও রয়েছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।
সহ-উপাচার্য প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে হওয়ায় বই ফেরতের জরিমানাও ব্যাংকে পরিশোধ করতে হয়। অল্প পরিমাণ জরিমানা দিতে শিক্ষার্থীদের যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, সেটি একধরনের শাস্তি হিসেবে কাজ করে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে যেন ইচ্ছাকৃতভাবে বই ফেরত দিতে দেরি না করেন, সে বিষয়ে সতর্ক হন।
তবে পুরোনো এই ব্যবস্থা বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান সহ-উপাচার্য। তিনি বলেন, এসব সেবা অনলাইনভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে কিউআর কোড ব্যবহার করে জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে পারেন, সে বিষয়েও কাজ করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ব্যবহার করেন হাজারো শিক্ষার্থী। তাঁদের জন্য বই ফেরত দেওয়ার সময়সীমা ও জরিমানার বিধান থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু জরিমানার অঙ্ক যখন মাত্র এক টাকা, তখন তা পরিশোধ করতে ব্যাংকে যাওয়া এবং আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।



