এখনও ফিফার প্রতিশ্রুত টাকা পায়নি আয়োজক শহরগুলো, চাপে ফিফা | চ্যানেল আই অনলাইন

এখনও ফিফার প্রতিশ্রুত টাকা পায়নি আয়োজক শহরগুলো, চাপে ফিফা | চ্যানেল আই অনলাইন

গত ১৯ জুলাই পর্দা নেমেছে ২০২৬ বিশ্বকাপের। আসর শুরুর আগে আয়োজক শহরগুলোকে ১০ লাখ ডলার করে দেয়ার কথা ছিল ফিফার। তবে এখনও সেই প্রতিশ্রুত অর্থ পায়নি শহরগুলো। এবার যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক শহর ফিফার কাছে সেই পাওনা চেয়ে বসেছে। তাতে চাপেই পড়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে দ্য অ্যাথলেটিক। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ আয়োজক শহরগুলোর চারজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ফিফার শীর্ষ কর্মকর্তারা তাদের প্রত্যেককে ১০ লাখ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ফুটবল অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক প্রকল্পে এই অর্থ ব্যয় করার কথা ছিল। তবে এখন পর্যন্ত সেই অর্থ হাতে না পাওয়ায় ফিফার কাছে পাওনা অর্থের বিষয়ে জানতে চাইছে কয়েকটি শহর।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহরগুলোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফিফার ব্যবস্থাপনা পর্যায়ের কর্মকর্তারা একাধিক বৈঠকে মৌখিকভাবে এই অর্থ দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছিলেন। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কখনো প্রকাশ্য ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

আয়োজক শহরগুলোর কর্মকর্তাদের দাবি, ২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনকারী শহরগুলোর জন্য ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ‘লিগ্যাসি’ অর্থ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর ২০২৬ বিশ্বকাপের শহরগুলোও নিজেদের প্রতিশ্রুত অর্থের বিষয়ে ফিফার কাছে যোগাযোগ শুরু করে।

যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের আয়োজক শহরগুলোর মধ্যে ছিল সিয়াটল, সান ফ্রান্সিসকো, লস অ্যাঞ্জেলেস, ডালাস, কানসাস সিটি, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া, মিয়ামি, বোস্টন এবং নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি।

বিশ্বকাপ আয়োজক শহরগুলোর অর্থ পাওয়ার দাবি সামনে আসায় নতুন করে চাপে পড়ছেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। কারণ ফিফা সভাপতিকে ঘিরে এমনিতেই সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্ক কমছে না।

বিশ্বকাপসহ ফিফা টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা করেছিলেন ইনফান্তিনো। তবে উয়েফা, কনক্যাকাফ ও এএফসির বিরোধীতায় সেই বিতর্কিত পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে ফিফা।

Scroll to Top