সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের পাশাপাশি দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এক প্রশ্নের উত্তরে নাসীরুদ্দীন বলেন, ইসির গঠনপ্রক্রিয়া অবৈধ। প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের আগেই নির্বাচন কমিশন মন্তব্য করে থাকে; কিন্তু এটা করা উচিত নয়। তারা দলীয় মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছে। ফলে তাদের দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।
ইশরাক হোসেনের সমর্থকদের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন বলেন, পুরো ঢাকা অচল হয়ে পড়েছে। জনগণ নগর ভবনে কোনো সেবা পাচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। এতে বলা হয়, ‘২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অবৈধ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমানে জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকাই দায়ী বলে আমরা মনে করি।’
জনপ্রতিনিধি না থাকায় নাগরিক সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়। এতে আরও বলা হয়, ‘ইশরাক হোসেন বনাম শেখ ফজলে নূর তাপস গং’ মামলাকে নজির হিসেবে নিয়ে সারা দেশে অবৈধ নির্বাচনের প্রার্থীরা আদালতের শরণাপন্ন হয়ে এক জটিল ও সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি করছে। এই সংকট নিরসনে এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনই একমাত্র সমাধান; কিন্তু ফ্যাসিবাদী আইনে গঠিত বর্তমান পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচন আয়োজনে সক্ষম নয়।



