উপজেলা নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেই, সুযোগও নেই | চ্যানেল আই অনলাইন

উপজেলা নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেই, সুযোগও নেই | চ্যানেল আই অনলাইন

রাহাত হোসাইন: আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীরা চাইলেও সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোন সিদ্ধান্ত নেই, সুযোগও নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।

মঙ্গলবার  দুপুরে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষ সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মো. আলমগীর বলেন, প্রার্থী ও ভোটারদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশই যথেষ্ট। এছাড়া সার্বিকভাবে র‌্যাব, বিজিবি, আনসারবাহিনী কাজ করে থাকে। এছাড়া গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারাও অগ্রিম তথ্য দিয়ে থাকেন। কোন সহিংসতা হওয়ার আগেই পুলিশ ও জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন। তাহলে প্রার্থীরা সেনাবাহিনী মোতায়েন চাইবেন কেন, সেনাবাহিনী লাগে তো যুদ্ধ করার জন্য। প্রার্থীরা কি যুদ্ধ করবেন, তাহলে সেনাবাহিনী দিয়ে কি হবে।

মো. আলমগীর আরও বলেন, এই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে ও পরে কোন ধরনের সহিংসতা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। যারা সহিংসতার কাজে জড়িত থাকে, তাদের কাউকে কখনই ছেড়ে দেয়া হয় না। এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে যদি কোন কর্মকর্তা ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইসি ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। সব ধরনের সংঘর্ষ কিংবা সহিংসতা ফেরানো সম্ভব না। পুলিশের একার পক্ষে ঘরে ঘরে পাহারা দেয়া সম্ভব না। এতো পুলিশ আমাদের দেশে নেই। একটি দেশের সুখ-শান্তি নির্ভর করে, দেশের জনগনের উপর। পৃথিবীর কোন দেশেই শুধুমাত্র পুলিশ দিয়ে শান্তি রক্ষা করতে পারে না। জনগনের দায়িত্ব আছে, কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে, সেই তথ্য প্রশাসনকে জানালে, প্রশানসন তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিবে।

মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মারুফুর রশিদ খানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মাসুদ আলম খান, ফরিদপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রির্টানিং কর্মকর্তা আহম্মেদ আলীসহ বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন দপ্তরের গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাসহ অন্যান্যরা।

Scroll to Top