বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বর্তমানে চরম নীতিগত দুর্বলতা ও প্রায়োগিক অরাজকতার শিকার। এমন উদ্বেগ জানিয়ে এই খাতের বিশৃঙ্খলা নিরসনে ১২ দফা সুপারিশ দিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে আয়োজিত এক অংশীজন সেমিনারে সম্প্রতি প্রকাশিত ‘বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনটি তুলে ধরার সময় এই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), চট্টগ্রামের সহযোগিতায় আয়োজিত এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় বলে টিআইবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্রকাশিত এই গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এ বিভিন্ন অংশীজনের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হলেও এর বাস্তবায়ন ও কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে। ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী ও আমদানিকারকদের মাধ্যমে ই-বর্জ্য সংগ্রহকেন্দ্র স্থাপন, তহবিল গঠন, জনসচেতনতা কার্যক্রমের কোনোটিই বাস্তবায়িত হয়নি। এমনকি চট্টগ্রামের জাহাজভাঙাশিল্প থেকে আসা পুরোনো ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম বিক্রয় বা ব্যবহার বিষয়ে কোনো নীতিমালা নেই। বৈদ্যুতিক গাড়ি, সোলার প্যানেল, ব্যাটারিচালিত খেলনা, ড্রোন ইত্যাদি থেকে সৃষ্ট ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়নি।



