সরেজমিনে বুধবার দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, রোজিনা বেগম সেখানে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালে ইসলামী আন্দোলনের আরও কয়েকজন নারী কর্মী অবস্থান করছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোজিনা বেগমের ভর্তির খাতায় আঘাতের ধরন হিসেবে লেখা রয়েছে—‘ফিজিক্যাল অ্যাসাল্ট’।
রোজিনা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আমরা ইলিয়াস হোসাইনের বাড়িতে গিয়ে হাতপাখার কথা বলি। তখন তারা বলে, তারা দাঁড়িপাল্লার লোক, আমরা সেখানে কেন গেছি। আমাদের ১১ জনকে একটি কক্ষে আটকে রেখে গালিগালাজ করা হয়। পরে আমাদের দলের কয়েকজনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়, ফোন নিয়ে নেয়। আমার ওড়না ও বোরকা খুলে ফেলে। থানায় যাওয়ার পর আমি অজ্ঞান হয়ে যাই।’
আরেক নারী কর্মী হাফসা বেগম বলেন, ‘আমরা কয়েক দিন ধরে প্রচারণা চালাচ্ছি। মঙ্গলবার আমাদের পাড়ায় প্রচারণার সময় ছয়জন পুরুষ মিলে আমাদের হেনস্তা করেছে, শারীরিক নির্যাতন করেছে।’



