ইসরায়েলকে অবিলম্বে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধ করতে বললেন ট্রাম্প – DesheBideshe

ইসরায়েলকে অবিলম্বে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধ করতে বললেন ট্রাম্প – DesheBideshe

ইসরায়েলকে অবিলম্বে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধ করতে বললেন ট্রাম্প – DesheBideshe

ওয়াশিংটন, ০৪ অক্টোবর – যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের আংশিক রাজি হওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েলকে অবিলম্বে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধ করতে হবে, যাতে আমরা জিম্মিদের নিরাপদে এবং দ্রুত মুক্ত করতে পারি।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত শেষ রাতে এক প্রতিবেদনে জানায় কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা ও লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

এর আগে, ডোনাল্ড ট্রাম্প হামাসকে তার প্রস্তাব মেনে নেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেন। তিনি বলেন, রোববার যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে প্রস্তাব মেনে নিতে হবে। নয়তো হামাসকে নরক যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে।

এর কয়েক ঘণ্টা পর হামাস এক বিবৃতিতে আংশিকভাবে প্রস্তাব মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বিবৃতিতে জানায়, জীবিত ও মৃত সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে রাজি আছে হামাস। তবে প্রস্তাবের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত নিয়ে আরও আলোচনার দাবি জানিয়েছে তারা।

এক বিবৃতিতে হামাস আরও জানায়, তারা গাজা উপত্যকার শাসনভার একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি সংস্থার (টেকনোক্র্যাট) কাছে হস্তান্তর করতে চায়। এই সংস্থা ফিলিস্তিনি জাতীয় ঐকমত্য এবং আরব ও ইসলামি বিশ্বের সমর্থনের ভিত্তিতে গঠিত হবে।

হামাসের ঘোষণার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, হামাসের সদ্য প্রকাশিত বিবৃতির ভিত্তিতে আমি বিশ্বাস করি, তারা স্থায়ী শান্তির জন্য প্রস্তুত। চলমান হামলা ও সংঘাতের মধ্যে জিম্মিদের মুক্ত করা অত্যন্ত বিপজ্জনক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, হোয়াইট হাউস কর্তৃপক্ষ গত সোমবার ২০ দফাবিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এতে সম্মতি জানান। ওই পরিকল্পনায় প্রস্তাব করা হয়, গাজায় তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ২০ জন জীবিত জিম্মিকে ফিরিয়ে দিতে হবে। মৃত জিম্মিদের দেহাবশেষও হস্তান্তর করতে হবে। বিনিময়ে ইসরায়েলের হাতে আটক গাজার শত শত বাসিন্দাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে বলেন, যেসব বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি, সেগুলো নিয়ে আমরা বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করছি। এটি শুধু গাজা নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘকাল ধরে প্রত্যাশিত শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্দিবিনিময়ে রাজি হলেও গাজার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা ও ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয় নিয়ে হামাস আরও আলোচনা করতে চায়। সংগঠনটি বলেছে, বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ০৪ অক্টোবর ২০২৫



Scroll to Top