ওয়াল্টজ আরও বলেন, মিত্র দেশগুলোকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে—এমন ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় অস্থিরতা তৈরিতে ব্যবহৃত নৌসম্পদ অকার্যকর করাই এর উদ্দেশ্য। এ ছাড়া প্রক্সি মিলিশিয়াদের কাছে অস্ত্র পৌঁছানোর পথ বন্ধ করা এবং ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে বিশ্বকে হুমকি দিতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন বলেন, ‘ইসরায়েল, আমাদের মিত্র দেশগুলো এবং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার ওপর যে হুমকি তৈরি হয়েছিল, তা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইসরায়েল এই পদক্ষেপ নিয়েছে।’
ড্যানন আরও বলেন, ‘যখন কোনো শাসকগোষ্ঠী “ইসরায়েল ধ্বংস হোক” বা “যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস হোক” বলে স্লোগান দেয়, তখন আমরা সেটাকে হালকাভাবে নিই না। আমরা তাদের কথা বিশ্বাস করি এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিই। আমাদের লক্ষ্য একেবারেই পরিষ্কার।’
ইরানের বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত রাশিয়া এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া সতর্ক করে বলেন, ‘ইরানের ওপর আজ যে আগ্রাসন চালানো হয়েছে, তার ফলে ইতিমধ্যে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়ে গেছে। এ সংঘাত ইরানের সীমানা ছাড়িয়ে অনেক দূর ছড়িয়ে পড়তে পারে।’



