
ওয়াশিংটন, ২৩ মার্চ – ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতির দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন যে দুই দেশের মধ্যে অন্তত ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এই সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা নিরসনের পথ খুলে যেতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সোমবার ২৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট পাম বিচ বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব তথ্য জানান। এর আগে রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের দুই শীর্ষ দূতের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
ট্রাম্প দাবি করেন যে আলোচনার উদ্যোগ মূলত ইরানের পক্ষ থেকেই এসেছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি বেশ ইতিবাচকভাবে এগিয়েছে। তিনি আরও বলেন যে এই আলোচনা সফল হলে দীর্ঘদিনের সংঘাতের একটি বড় ধরনের সমাধান সম্ভব হবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান যে সমঝোতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে এই ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত হিসেবে ট্রাম্প জানান যে ইরানকে তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
তার ভাষ্যমতে এই বিষয়ে ইতোমধ্যে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। এই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার অংশ নিচ্ছেন। অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধির পরিচয় স্পষ্ট না করলেও ট্রাম্প তাকে একজন সম্মানিত নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সম্ভাব্য সমঝোতা বাস্তবায়নের জন্য পাঁচ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি সতর্ক করে বলেন যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হলে পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করা হতে পারে। তিনি আরও জানান যে সোমবার আরও কয়েকটি টেলিফোন আলাপ হওয়ার কথা রয়েছে এবং খুব শিগগিরই সরাসরি একটি বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে।
এ এম/ ২৩ মার্চ ২০২৬





