বিশ্বকাপ থেকে ইরানের বিদায়ে প্রকাশ্যেই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি মার্কওয়েন মুলিন। তিনি বলেছেন, ইরান টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়ায় খুবই খুশি।
বিশ্বকাপের নিরাপত্তা–সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে মুলিন বলেছেন, ‘আমি শুধু খুশি যে তারা (ইরান) বিদায় নিয়েছে এবং আর ফিরছে না। তাদের ভিসা প্রত্যাহার করে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার অনুমতি দিতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত ছিলাম। হয়তো আনন্দে একটি-দুটি গানও গেয়েছি, এমনকি নেচেও ফেলেছি।’
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার পর বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে শেষপর্যন্ত দলটি টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। গ্রুপ পর্বে তিনটি ম্যাচই ড্র করে ইরান। শেষ ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে অল্পের জন্য জয় হাতছাড়া হয় অফসাইডের সিদ্ধান্তে। গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় নকআউট পর্বে উঠতে পারেনি তারা।
বিশ্বকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষের আচরণ নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ তোলে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। দলের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই দাবি করেছিলেন, এবারের বিশ্বকাপে তার দলই ছিল ‘সবচেয়ে নিপীড়িত’।
মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী অ্যারিজোনার টাকসনে ক্যাম্প করার কথা থাকলেও পরে ইরান তাদের অনুশীলন ঘাঁটি সরিয়ে নেয় মেক্সিকো সীমান্তবর্তী তিজুয়ানায়। দলের তিনটি গ্রুপ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে, দুটি লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং একটি সিয়াটলে।
ম্যাচ শেষে দ্রুত স্টেডিয়াম ছাড়ার নির্দেশনার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মুলিন বলেছেন, ‘এটি আমাদের সঙ্গে আগে থেকেই হওয়া একটি সমঝোতা ছিল। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তারা যেন দ্রুত হোটেল বা বেস ক্যাম্পে ফিরে যায়, সেটিই চেয়েছিলাম। এ বিষয়ে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ফিফার সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল।’




