জেলেনস্কি বলেন, ‘ইউক্রেনের জনগণের জীবন এবং ইউক্রেনের স্বাধীনতা রক্ষায় যারা আমাদের সাহায্য করছে, তাদের অনুরোধে ইতিবাচকভাবে সাড়া দিতে ইউক্রেন প্রস্তুত।’
ইউক্রেনের আশা, মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিজ মিত্রদের সঙ্গে কিয়েভের দর-কষাকষির সক্ষমতা আরও বাড়িয়ে দেবে। ইউক্রেন প্রমাণ করতে চায়, রাশিয়ার পুরোদমে চলা চার বছরের এই আগ্রাসন মোকাবিলা করতে গিয়ে তারা যে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করেছে, তা তাদের অংশীদারদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত অমূল্য হতে পারে।
জেলেনস্কি বলেন, ড্রোন মোকাবিলায় কিয়েভের এক অনন্য অভিজ্ঞতা রয়েছে। ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে চলমান হামলায় যেসব ড্রোন ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে, সেগুলো প্রতিরোধের সক্ষমতা ইউক্রেন এরই মধ্যে অর্জন করেছে।


