ইট ভেঙেছেন, টিউশনি করেছেন, অভাব ডিঙিয়ে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন আমিনুল

ইট ভেঙেছেন, টিউশনি করেছেন, অভাব ডিঙিয়ে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন আমিনুল

আমিনুলের বড় আক্ষেপ—যাঁরা তাঁর জন্য সবচেয়ে বেশি কষ্ট করেছেন, তাঁদের কেউই তাঁর সাফল্য দেখে যেতে পারেননি। তাঁর দাদি মোছা. ওমর জান মারা গেছেন ২০২১ সালে। চাকরি পাওয়ার পর বাবা ও দাদির কবর জিয়ারত করেছেন তিনি। আমিনুল হক বলেন, ‘দাদি সব সময় বলতেন, “তুমি একদিন বড় অফিসার হবা।” চাকরি কবে হবে, জানতে চাইতেন। আমি তাঁকে বলতাম, পড়াশোনা শেষ হয়নি। দাদি আর দেখে যেতে পারলেন না, আমি ক্যাডার হয়েছি। বাবাও দেখে যেতে পারেননি। এটা সারা জীবনের আফসোস।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সাবিকুন্নাহার সিনথিয়ার সঙ্গে আমিনুলের পরিচয় হয়। ২০২৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তাঁরা বিয়ে করেন। কঠিন সময়ে স্ত্রীর কাছ থেকে মানসিক সমর্থন পেয়েছেন বলে জানান আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘সফলতার জন্য সততা, পরিশ্রম ও ধৈর্য দরকার। এর সঙ্গে সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করতে হবে। আমি মনে করি, সততা, পরিশ্রম ও ধৈর্য যার মধ্যে আছে, তিনি চাকরি কিংবা ব্যবসা—সব ক্ষেত্রেই সফল হতে পারবেন।’

Scroll to Top