এই ম্যাচের আগে এই বিশ্বকাপে হ্যারি কেইনের গোল ছিল তিনটি। তবু মনে হচ্ছিল, তাঁর কাছ থেকে আরও বড় কিছু পাওয়ার বাকি আছে। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে করেছিলেন জোড়া গোল, পানামার বিপক্ষে যোগ করেছিলেন আরেকটি। তবে ঘানার বিপক্ষে ছিলেন অনেকটাই নিস্তেজ। সেই ম্যাচে শেষ মুহূর্তের ভলিটি যদি জালে জড়াতে পারতেন, তাহলে গল্পটা হয়তো অন্য রকম হতো। সেদিন না হলেও আজ ঠিকই গল্পটা নিজের হাতে লিখলেন কেইন।
নিখাদ প্রতিভার প্রদর্শনী কেমন হতে পারে, দেখালেন সেই নিদর্শন। সত্যিকারের অধিনায়কোচিত এক পারফরম্যান্স, যা ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ইতিহাসের স্মরণীয় পারফরম্যান্সগুলোর একটিও বটে। একই সঙ্গে এই ম্যাচ আবারও মনে করিয়ে দিল, ইংল্যান্ডের খেলায় যত দুর্বলতাই থাকুক না কেন, যতক্ষণ দলে কেইন আছেন, ততক্ষণ তাদের আশা বেঁচে থাকবে।
এই ম্যাচে জোড়া গোল করে কেইন শুধু দলকেই জেতাননি, ভেঙেছেন বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ডও। এই ম্যাচে করা দ্বিতীয় গোলটির মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে গোলসংখ্যায় পেলেকে ছাড়িয়ে গেছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। কেইনের মোট গোল এখন ১৩টি, আর এবারের আসরে ৫টি।



