হজের আরেকটি বড় শিক্ষা হলো আনুগত্য ও আত্মসমর্পণ। ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈল (আ.) এর কোরবানির ঘটনা মানুষের সামনে আত্মত্যাগের সর্বোচ্চ উদাহরণ।
পিতা যখন সন্তানকে আল্লাহর নির্দেশে কোরবানি করতে উদ্যত হলেন, আর সন্তান বিনা দ্বিধায় বলল, “আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, তাই করুন। ”তখন পৃথিবী দেখেছিল আল্লাহর প্রতি পূর্ণ সমর্পণের মহিমা। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৩১-১৩২)
হজের প্রতিটি বিধান—ইহরাম, তাওয়াফ, সাঈ, কোরবানি—মানুষকে শেখায়, একজন মুমিনের প্রকৃত পরিচয় হলো আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজেকে সম্পূর্ণ সোপর্দ করে দেওয়া।
এর সঙ্গে জড়িত ধৈর্য, ত্যাগ ও অবিচলতার শিক্ষা। হজের সফর কষ্টের সফর। কখনো ক্লান্তি, কখনো ভিড়, কখনো অসুবিধা—সবকিছু সহ্য করে মানুষ ইবাদত সম্পন্ন করে। এই কষ্ট মানুষকে ধৈর্যের শিক্ষা দেয়।
ইসমাইল (আ.)–এর মতো সবরকারীদের জীবন মানুষকে মনে করিয়ে দেয়—আল্লাহর পথে ত্যাগ ছাড়া বড় কোনো অর্জন সম্ভব নয়। তাই হজ থেকে ফিরে এসে মানুষের জীবনে ধৈর্য, সহনশীলতা ও আত্মসংযম বৃদ্ধি পাওয়াই স্বাভাবিক হওয়া উচিত।



