আলোঝলমল সোনালি এক নগরীর গল্প

আলোঝলমল সোনালি এক নগরীর গল্প

এই স্বপ্নের দেশেই হয় আমার প্রথম চাকরি। চারদিকে সমুদ্রঘেরা ছোট্ট এক দ্বীপ—হংকং। থাই এয়ারওয়েজে করে যখন প্রথম হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করি, মনে হয়েছিল যেন বিমানটা বুঝি পানির ওপরেই নামছে!

তবে এই আলোর শহরের সবকিছু যে আলোকোজ্জ্বল, তা নয়। কিছু অভিজ্ঞতা আমাকে গভীরভাবে ভাবিয়েছে।

আমার বাসা থেকে কর্মস্থলে যেতে প্রায় দেড় ঘণ্টা লাগত। বেশির ভাগ সময় বাসে যাতায়াত করতাম। প্রায়ই লক্ষ করতাম—আমি বা অন্য কোনো বিদেশি বাসে উঠলে হংকংয়ের স্থানীয় অনেক নারী আমাদের পাশে বসতেন না। এমনকি পেছনের বা পাশের সিটও এড়িয়ে চলতেন। এক সিট ফাঁকা রেখে বসতেন। বারবার এই দৃশ্য দেখে আমার মনে হতো—আমাদের মতো গরিব, কালো চামড়ার মানুষদের তারা অবহেলা কিংবা ঘৃণার চোখেই দেখে।

আরেক দিন, রোববারের ছুটিতে আমি আর আমার বিক্রমপুরের এক বন্ধু কাওলুনের একটি বড় পার্কে বেড়াতে যাই। ছবি তোলা, ঘোরাঘুরি, খাওয়াদাওয়া—সব মিলিয়ে দিনটা ছিল সুন্দর। ফেরার পথে হংকংয়ের এক নারী তাঁর ছোট বাচ্চাকে নিয়ে পার্কে ঘুরছিলেন। বন্ধুটি বাচ্চাটার সঙ্গে একটি ছবি তোলে। পরে আদর করে কোলে নিয়ে ছবি তুলতে চাইতেই ঘটে যায় ভয়াবহ ঘটনা।

Scroll to Top