সবশেষ ১৯৯৩ সালে কারাবাও কাপ জিতেছিল আর্সেনাল। ৩৩ বছর পর আবার শিরোপা জয়ের সুযোগ এলেও গানার্সদের কাঁদিয়ে চার মৌসুম পর শিরোপা ঘরে তুলেছে ম্যানচেস্টার সিটি। সবমিলিয়ে এ টুর্নামেন্টে নয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেল সিটিজেনরা।
লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে রোববার ফাইনালে পেপ গার্দিওলার দলের জয় ২-০ গোলে। তাদের হয়ে গোল দুটি করেছেন নিকো ও’রাইলি।
চলতি মৌসুমে দারুণ ছন্দে আছে আর্সেনাল। সুযোগ ছিল সম্ভাব্য চারটি শিরোপা জয়ের। তবে মৌসুমে খেলা প্রথম ফাইনালেই হেরে গেল মিকেল আর্তেতার দল। ফাইনালে দাপট দেখিয়েও শেষপর্যন্ত হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হল তাদের।
পুরো ম্যাচ জুড়ে ৬০ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখে গোলের জন্য ১০টি শটের মধ্যে দুটি লক্ষ্যে রাখতে পারে সিটি, দুটিই খুঁজে পায় ঠিকানা। আর্সেনালও ১০টি শট নিতে পারে, যার চারটি ছিল লক্ষ্যে, কিন্তু ব্যর্থ হয় সবগুলোই।
প্রিমিয়ার লিগে সবশেষ দুই রাউন্ডে হোঁচট, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে দুই লেগেই হেরে বিদায়-এসব হতাশা সামলে মৌসুমে প্রথম ট্রফি জিতল সিটি।
ডাগআউটে দারুণ একটি রেকর্ডও গড়লেন দলটির কোচ গার্দিওলা, প্রথম কোচ হিসেবে এই প্রতিযোগিতায় পাঁচটি শিরোপা জিতলেন তিনি।
শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ জারি রাখেন দুদলের খেলোয়াড়রা। প্রথমার্ধে আর্সেনাল বেশকিছু গোলের সুযোগ তৈরি করেও গোল করতে ব্যর্থ হয়। প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেরও বল দখলে আধিপত্য দেখায় আর্তেতার দল। তবে চার মিনিটে দুই গোল করে আর্সেনালের সমর্থকদের স্তব্ধ করে দেন নিকো ও’রাইলি।
৬০ মিনিটে ও’রাইলি সিটিকে লিড এনে দেন। তার চার মিনিট পর আবারও গোলের উল্লাসে মাতে সিটিজেনরা। এবারের গোল স্কোরারও সেই ও’রাইলি। শেষ দিকে আর্সেনাল অনেক চেষ্টা করেও একটিও গোল করতে পারেনি। শেষপর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানসিটি।





