সাউথ আমেরিকান অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের আর্জেন্টিনার কাছে হেরে যাত্রা শুরু করেছিল ব্রাজিল। সেখান থেকে দারুণ ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষপর্যন্ত শিরোপা জিতেই অভিযান শেষ করেছে জুনিয়র সেলেসাও বাহিনী। চূড়ান্ত পর্বের শেষ ম্যাচে চিলিকে উড়িয়ে দিয়ে প্রতিযোগিতায় রেকর্ড ১৩ বার চ্যাম্পিয়ন হলো নেইমারদের উত্তরসূরিরা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮ বার শিরোপা জিতেছে উরুগুয়ে।
ভেনেজুয়েলার এস্তাদিও হোসে আন্তোনিও আনজোতেগুইয়েতে রোববার রাতে নিজেদের শেষ ম্যাচে চিলি অনূর্ধ্ব-২০ দলের সঙ্গে ৩-০ গোলের বড় জয় পেয়েছে ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-২০ দল। আসরের শেষ ম্যাচে অবশ্য জয় পায়নি পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
চিলির বিপক্ষে গোলশূন্য থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে ব্রাজিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ালে আসে সাফল্য। প্রথম সাফল্য আছে ৭৩ মিনিটে। ডেভিড ওয়াশিংটনের গোলে লিড নেয় সেলিসাওবাহিনী। এরপর ৮৬ ও ৮৮ মিনিটের দুই গোলে ব্যবধান গোলের ব্যবধান বাড়ায় ব্রাজিল।

ম্যাচের আগে সমীকরণ ছিল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দুই দলের পয়েন্ট যদি সমান হয়, তবে প্রথমেই হিসাব করার কথা ছিল মুখোমুখি লড়াইয়ের। কিন্তু চূড়ান্ত পর্বে দুই দলের ম্যাচটি ড্র হওয়াতে সেই হিসাব কোনো কাজে আসত না। তাই চূড়ান্ত পর্বে দুই দলের গোল ব্যবধানই সবার আগে বিবেচ্য হতো। গোল ব্যবধানও যদি সমান হতো তাহলে দেখা হতো চূড়ান্ত পর্বে গোল কে বেশি করেছে, সেটি।
টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী সেখানেও সমতা থাকলে লাল কার্ড কারা বেশি দেখেছে, সেটি এবং তারপর ফল নির্ধারণে কাজে লাগত হলুদ কার্ড। সেখানেও সমতা থাকলে এরপর লটারি মাধ্যমে হতো ফয়সালা।
তবে এসব কিছুরই আর প্রয়োজন হয়নি। কারণ আসরের শেষ ম্যাচে প্যারাগুয়ের কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরেছে আর্জেন্টিনা। তাতে পাঁচ ম্যাচে তিন জয় ও একটি করে ড্র-হারে আর্জেন্টিনার পয়েন্ট ১০। অন্যদিকে সমান ম্যাচ থেকে ৪ জয় ও এক ড্রয়ে ব্রাজিলের পয়েন্ট ১৩। শীর্ষ থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করায় তাই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রাজিল।




