৮৫ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। এনজো ফের্নান্দেজের গোলে সমতায় ফেরা। এরপরই যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে জয়সূচক গোলটি করলেন বদলি নামা লৌতারো মার্টিনেজ। তাতে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালের টিকিট কাটল গতআসরের চ্যাম্পিয়নরা। জয়সূচক গোলটি করে আবেগাপ্লুত মার্টিনেজ। জানালেন, স্বপ্ন দেখেছিলেন গোলটি করবেন যে তিনি।
ম্যাচ শেষে উপস্থাপকের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বেশ কয়েকবার থেমে যান মার্টিনেজ। চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়া জল আড়াল করতে নিজেকে সামলে নিতে সময় লাগলো বেশ কিছুক্ষণ। এরপরই কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানালেন এই ঐতিহাসিক গোলের পেছনের আবেগঘন গল্প।
বলেছেন, ‘এটা আসলেই অনেক আবেগের। আমার দুটি সন্তান রয়েছে, যারা আসার পর থেকে আমার জীবন বদলে গেছে। আমি এখন অনেক শান্ত হয়েছি। সবকিছু আমি এখন দারুণ উপভোগ করি, অনেক উপভোগ করি। আমার মেয়ে আমাকে শান্ত হতে শিখিয়েছে, আর আমার ছেলে আমাকে আরও বেশি পরিণত করেছে। আজ আমি একজন পরিপূর্ণ মানুষ, যে জীবনকে উপভোগ করতে জানে।’
ম্যাচে নামার আগেই গোল করার এক তীব্র তাড়না কাজ করছিল মার্টিনেজের মনে। সেই আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি এটা স্বপ্ন দেখেছিলাম। আমি কসম খেয়ে বলছি, আমি অ্যালেক্সিসকে (ম্যাক অ্যালিস্টার) বলেছিলাম যে আমি গোল করব। আমি বেঞ্চে থাকা ফাকুন্দো মেদিনাকেও বলেছিলাম, আমি মাঠে নামব এবং জয় এনে দেব।’
‘আজ কাজটা বেশ কঠিন ছিল, তবে সুযোগটা শেষ পর্যন্ত আমার কাছেই এলো। এনজোও একটা দুর্দান্ত গোল করেছে। আর এখন, যখন আমি কিছুটা শান্ত হয়েছি, তখন বলতে পারি যে এই দলটা আরও একবার দেখিয়ে দিল যে তারা ঠিক কী দিয়ে তৈরি।’-যোগ করেন লৌতারো।
মার্টিনেজ আরও বলেন, ‘বাবা যখন আমাকে একজোড়া বুট কিনে দিয়েছিলেন, তখন থেকেই আমি এই গোলটি করার স্বপ্ন দেখছিলাম।’



