প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, গত বছরের জানুয়ারিতে আমার সম্পদের সম্পূর্ণ হিসাব প্রকাশ করেছি।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) তার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেইজের এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি।
পোস্টে তিনি লেখেন, “আমি ঘোষণা করেছিলাম যে ঢাকার শাহীনবাগে আমার একটি ফ্ল্যাট আছে এবং দনিয়ায় আমার বাবার কাছ থেকে আমি উত্তরাধিকারসূত্রে আরেকটি ফ্ল্যাট পেয়েছি। আমার স্ত্রী এবং আমি দুজনেই ময়মনসিংহে একটি অ্যাপার্টমেন্টের মালিক।”
শফিকুল আলম জানান, “আমি আরও প্রকাশ করেছিলাম, আমার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে একটি একক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল যার জমা ছিল ১১ দশমিক ৪ মিলিয়ন টাকা (এক কোটি চৌদ্দ লক্ষ টাকা)। এই পরিমাণের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি থেকে প্রাপ্ত গ্র্যাচুইটি পেমেন্ট, যেখানে আমি ২০০৫ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত কাজ করেছি। আমার নিজের গ্রাম মাগুরায় আমার ৪০ শতাংশ কৃষি জমিও রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, আজ আমার শেষ কর্মদিবস হতে পারে। আমি এই সরকারি পদ ছেড়ে যাওয়ার সময়, ঘোষণা করছি যে আমাদের সম্পত্তিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি। আমি তিনটি ফ্ল্যাটের মালিক, আমার স্ত্রী একটি ফ্ল্যাটের মালিক এবং একই জমির মালিকানা আমার কাছে রয়েছে।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, “আমার ব্যাংক আমানতে সামান্য পরিবর্তন হয়েছে। আমার এখনও একটি মাত্র ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে, যেখানে বর্তমানে ১ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা (এক কোটি তেইশ লক্ষ টাকা) জমা আছে। এটি ৯ লক্ষ টাকা বৃদ্ধির প্রতিনিধিত্ব করে। এই বৃদ্ধির মূল কারণ হলো আমার শ্যালক আমার কাছ থেকে ধার করা ৭৫ লক্ষ টাকা পরিশোধ করেছেন। এছাড়াও, আমার বড় ভাই রমজান মাসে দরিদ্র গ্রামবাসীদের মধ্যে বিতরণের জন্য আড়াই হাজার মার্কিন ডলার পাঠিয়েছিলেন।”
তিনি জানান, আমার আর্থিক লেনদেন এবং যেকোনো পরিস্থিতির যাচাই-বাছাইকে আমি স্বাগত জানাই।




