চুক্তিতে পৌঁছাতে যে বেশ ঘাম ঝরাতে হয়েছে, তা কপ৩০-এর সভাপতি আন্দ্রে কোরেয়া দো লাগোর কথার মধ্যেও সুস্পষ্ট। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, আপনাদের মধ্যে অনেকে কিছু বিষয় নিয়ে আরও বড় প্রত্যাশা ছিল।’
কলম্বিয়া, পানামা এবং উরুগুয়ের মতো ব্রাজিলের প্রতিবেশী দেশগুলো দো লাগোর কিছু সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। এসব দেশের প্রতিনিধিদের অভিযোগ, চুক্তির প্রক্রিয়া কেমন হবে, তা চূড়ান্ত করার জন্য সব প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আলোচনা (পেলেনারি) করা দরকার ছিল। কিন্তু দো লাগো তা স্থগিত করেছেন।
তবে এক ঘণ্টা পর আলোচনা পুনরায় শুরু হয়। এতে দো লাগোর জানান, যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে তা বাতিল হওয়ার সুযোগ নেই।
কলম্বিয়ার প্রতিনিধি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি পৃথিবীর উষ্ণায়নের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী। তাই তাঁর দেশ এমন কোনো চুক্তির সঙ্গে থাকতে পারে না, যা বিজ্ঞানকে উপেক্ষা করে।
জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার দ্রুত বন্ধের রূপরেখা নিয়ে স্পষ্ট ঘোষণা না থাকায় ইইউ চুক্তিতে থাকবে কিনা, তা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু বর্ধিত সময়ে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাতভর আলোচনার পর শনিবার সকালে চুক্তিতে তারা সম্মতি দেয়। তবে ইউরোপের সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের জোটটি জানিয়েছে, চুক্তিটি যেভাবে শেষ করা হয়েছে, তা নিয়ে তারা একমত নয়।
চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার আগে ইইউর জলবায়ু কমিশনার ওপকে হোয়েকস্ট্রা বলেন, ‘আমাদের চুক্তিটি সমর্থন করা উচিত। কারণ তা অন্ততপক্ষে সঠিক পথে রয়েছে।’



