নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘনের অভিযোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহযোগী অধ্যাপকসহ এক প্রভাষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তা।
গতকাল বৃহস্পতিবার ৪ জানুয়ারি নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তা মো. মামুন-অর-রশিদ এর সাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। এতে আজ ৫ জানুয়ারি বিকেল ৩টার মধ্যে লিখিত ব্যাখা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়।
তিন শিক্ষক হলেন, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিজন কুমার, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.ফখরুল ইসলাম, অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক সৈয়দ আশরাফ।
চিঠিতে বলা হয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর ১৪ নং বিধিসহ বিদ্যমান অন্যান্য আইন লঙ্ঘন করেছেন। গত ৩ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী চয়ন ইসলাম এর পক্ষে নির্বাচনী কর্মসূচী বা কর্মকাণ্ড (নির্বাচনী প্রচার কার্য) পরিচালনা করেছেন। যার ভিডিও ফুটেজ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে পাওয়া গেছে।

এমতাবস্থায়, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আপনাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এ বিষয়ে কেন নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ প্রেরণ করা হবে না তত্মর্মে শুক্রবার ৫ জানুয়ারি বিকেল ৩টায় শাহজাদপুর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত এর কার্যালযয়ে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখা প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো।
এছাড়া নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘনের অভিযোগে আওয়ামী লীগ প্রার্থী চয়ন ইসলাম এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শাহ্ আজমকে আদালতে তলব করা হয়েছে। আগামী ৬ ডিসেম্বর তাদেরকে সশরীরে অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।




