আচরণবিধি ভাঙছেন সব দলের প্রার্থীরাই

আচরণবিধি ভাঙছেন সব দলের প্রার্থীরাই

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান।

গতকাল বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানা প্রশ্ন তোলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁকে শোকজ ও সশরীর উপস্থিত হওয়ার আদেশ দিতে পারেন কি না। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণ বিধিমালার ২৬ ধারা অনুসারে, নির্বাচনী তদন্ত কমিটি একটা আছে। যার কাছে (কমিটি) ইউএনও চিঠি দিয়েছে। সেখানে বলা যাবে অথবা নির্বাচন কমিশনে বলতে হবে। জেলা প্রশাসক আমাকে কেন শোকজ করেন, সশরীর উপস্থিত হতে আদেশ দেন। উনি কি পারেন?’

এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান প্রথম আলোকে বলেন, তিনি যেকোনো প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে পারেন। আচরণবিধি লঙ্ঘন করামাত্রই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর জন্য বলা যাবে। এটি একটি সাধারণ প্রক্রিয়া।

সাবেক নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি কতটুকু মানা হচ্ছে, তা মূলত দেখা যাবে প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর। এটি তিনটি পক্ষের ওপর নির্ভর করবে। প্রথমত, নির্বাচন কমিশন কতটা দৃঢ়তার সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়; দ্বিতীয়ত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা কেমন হয় এবং তৃতীয়ত, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের। এ ক্ষেত্রে দল ও প্রার্থীদের সদাচরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা করেন, সব পক্ষই সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে।

[প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন প্রথম আলোর সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধিরা।]

Scroll to Top