রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের সংগঠন বায়রা (বায়রা) মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, ফিলিপাইনের মতো দেশ নিজেদের নারী অভিবাসীদের কোনো সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়। যে নিয়োগকর্তা নিপীড়ন করেন, তাকে কালো তালিকাভুক্ত করতে হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত ‘ইমপ্রুভড সাসটেইনেবল রিইন্টিগ্রেশন অব বাংলাদেশি রিটার্নি মাইগ্র্যান্টস’ প্রকল্পের আওতায় কর্মশালায় আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিদেশফেরত বাংলাদেশি নারীদের সহায়তা করতে গড়ে তোলা ব্র্যাকের ‘নেটওয়ার্ক ফর বাংলাদেশি উইমেন মাইগ্র্যান্টস’–এর চেয়ারপারসন শীপা হাফিজা। তিনি বলেন, সবাই মিলে কাজ করলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবেই। পুরো অভিবাসনব্যবস্থাকে কীভাবে জেন্ডার রেসপনসিভ করা যায়, সেটা ভাবতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সেন্টার ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন স্টাডিজের সভাপতি অধ্যাপক ইশরাত শামীম, বাংলাদেশ ফেডারেশন অব উইমেন এন্ট্রাপ্রেনিউরসের সভাপতি রুবিনা হোসেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার রাহনুমা সালাম খান, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) প্রোগ্রাম সহকারী আমরিন জামান, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) উপপরিচালক মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী, ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ডের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের উপপরিচালক (কল্যাণ) শরিফুল ইসলাম, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির ফেরদৌস নিগার, বাংলাদেশি অভিবাসী মহিলা শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক শেখ রুমানা, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) মোস্তফা জামিলসহ অংশীজনরা।



