অভাবকে সঙ্গী করে তাদের এগিয়ে চলা

অভাবকে সঙ্গী করে তাদের এগিয়ে চলা

টিউশনির টাকায় পড়াশোনা

সূর্যোদয়ের আগেই নিজের পড়ালেখা সেরে নিয়েছে। এরপর টিউশনি করিয়ে বিদ্যালয়ের পথ ধরেছে। বেশির ভাগ সময় সকালের নাশতা করা হয়নি। কখনো নিজের টাকায় টিফিন করা হয়নি। বন্ধুদের আনা টিফিন ভাগ্যে জুটেছে। বিকেলে বাড়ি ফিরেও টিউশনি করতে হয়েছে। সহায়তা করতে হয়েছে মায়ের সংসারের কাজেও। এভাবেই লেখাপড়া চালিয়ে এ বছর এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন জয়িতা রানী অর্পিতা।

জয়িতা রানীর বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালি ইউনিয়নের উত্তর ফলিয়া গ্রামে। তার বাবা উত্তম কুমার দাস ঝিনাইদহ জেলায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। তিনি ২০২২ সালে মারা গেছেন। মা দিতি রানী সরকার গৃহিণী। মা ও ছোট ভাইকে নিয়ে তাদের তিন সদস্যের সংসার।

জয়িতা রানী সাদুল্লাপুর কেএম পাইলট সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের ছাত্রী ছিল। মা দিতি রানী সরকার বলেন, ‘মেয়েটা যখন ছোট ক্লাসে ছিল, তখন চিন্তা ছিল না। এখন লেখাপড়ার খরচ নিয়ে চিন্তায় আছি।’

জানতে চাইলে জয়িতা রানী বলেন, ‘আমি লেখাপড়া করে চিকিৎসক হতে চাই। সংসারের হাল ধরতে চাই। মায়ের সংসারের অভাব ঘোচাতে চাই।’

[প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার, প্রতিনিধি, গাইবান্ধা, ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জনালিতাবাড়ী, শেরপুর]

Scroll to Top