
জয়দেব মুখার্জি (এলাকাবাসী) বলেন, রক্ষণাবেক্ষণের অনেক অভাব ছিল পাশাপাশি এত জল বৃষ্টি হয়েছে সেই জল ফাটলে ঢুকে এটা ভেঙে পড়েছে। বর্ধমানের মানুষের কাছে এটা একটা প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষী। মন্দির ভাঙায় সকলেরই মন খারাপ। রাজ পরিবারের কাছে খবর জানানো হয়েছে। এটা যদিও তাদের নিজস্ব পারিবারিক ব্যাপার কিন্তু বর্ধমানবাসীর কাছে এটা একটা ঐতিহ্যপূর্ণ স্থান। এই মন্দিরটা যদি রক্ষণাবেক্ষণ হয় তাহলে খুবই ভাল হয়। এখানে এক সময় পুজোর সময় ডান্ডিয়া নাচ হত, সামনেই নবরাত্রি আসছে, তারপর কুলো দেবী চণ্ডীকারও পুজো আছে, পটেশ্বরী মায়ের পুজো হয় এখানে কিন্তু দুঃখের বিষয় এ বছর কোন দর্শনার্থী ঢুকতে পারবে না। বিপদজনক পরিস্থিতি হয়ে আছে। যখন তখন বাকিটা ভেঙে পড়তে পারে। এই ঐতিহ্যটাকে আমরা হারাতে চাই না। (চিত্র ও তথ্য সূত্র: সায়নী সরকার)



