অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আরও কিছু অধ্যাদেশ জারির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ, ২০২৬; গ্রামীণ ব্যাংক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫; জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫; জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫; বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫; বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬; রেজিস্ট্রেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অধ্যাদেশ ২০২৬; বাংলাদেশ হাউজবিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট); বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬ ইত্যাদি।
এতৎসত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এমন কিছু অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, যেগুলো গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে উঠে আসা রাষ্ট্র সংস্কারের জন–আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ রকম কিছু অধ্যাদেশ হলো সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫; পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫; ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫; সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫; জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫; সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫; গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫; বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬; বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬; ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬ ইত্যাদি।



