অতীত ঝেরে ফেলে লিটনের চোখ ২০২৮ বিশ্বকাপ | চ্যানেল আই অনলাইন

অতীত ঝেরে ফেলে লিটনের চোখ ২০২৮ বিশ্বকাপ | চ্যানেল আই অনলাইন

বাংলাদেশ দলকে ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলতে নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারত সফরের অনুমতি দেয়নি তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। আইসিসির কাছে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ করেছিল বিসিবি, বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেটি আমলে নেয়নি। শেষঅবধি বিশ্বকাপ খেলা হয়নি বাংলাদেশের। সেই হতাশা ঝেরে টাইগারদের লক্ষ্য ২০২৮ বিশ্বকাপে। সেদিকে পথচলা শুরু হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। সিরিজ শুরুর আগে লক্ষ্যের কথা শোনালেন অধিনায়ক লিটন কুমার দাস।

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ২৭ এপ্রিল গড়াবে ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টি। ২৯ এপ্রিল একই ভেন্যুতে গড়াবে দ্বিতীয় ম্যাচ। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ টি-টুয়েন্টি হবে। সিরিজ শুরুর আগেরদিন চট্টগ্রামে অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন লিটন।

লক্ষ্যের কথা তুলে লিটন বললেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য ২০২৮ বিশ্বকাপ, জানি সেটা এশিয়াতে না। সুতারং সেভাবে চিন্তাভাবনা করব। আমাদের একটা বন্ডিং হয়েছিল খুবই ভালো শেষ বিশ্বকাপের সময়, প্রস্তুতিও খুব ভালো ছিল। চেষ্টা করব ওখান থেকেই যেন এ দলটাকে ভালো করে ধরে রাখা হয়।’

সবশেষ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না পারার হতাশা ঝেরে দল এগোচ্ছে, জানিয়েছেন লিটন। বলেছেন, ‘হ্যাঁ, মনে হয় পেছনে ফেলে এগিয়ে চলেছে। বিশ্বকাপের ওই সময়ে আমরা একটা টুর্নামেন্টও খেলেছি। যেখানে খেলোয়াড়রা চেষ্টা করেছে ভালো ক্রিকেট খেলতে। সবচেয়ে বড় জিনিস হল, যেহেতু আন্তর্জাতিক আসর, প্রত্যেক আসরই প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনে হয় তারা ওভাবে চিন্তা করবে এবং বাংলাদেশের হয়ে খেলার জন্য যা যা করণীয় দরকার, যে জয়ের মনোভাবটা দরকার, সেটা নিয়ে মাঠে নামবে।’

গত ডিসেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সবশেষ টি-টুয়েন্টি খেলেছিল বাংলাদেশ। সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল টিম টাইগার্স। লম্বাসময় পর সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে নেমে বাড়তি চাপ নিচ্ছেন না লিটনরা, ‘একটা জিনিস হচ্ছে অনেকদিন পরে আবার টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে খেলছি। প্রথমদিক দিয়ে কোন বাড়তি চাপ নিতে চাচ্ছি না। খেলুক, দুই একটা ম্যাচ খেললে যে যার জায়গা থেকে এমনিতেই বুঝতে পারবে। কারণ এটা একটা সেটআপেরও বিষয় আছে। একটা ভালো দিক এবছর যে নয়টি টি-টুয়েন্টি হবে, তিনটি ভালো দলের সাথে এবং পরপর সিরিজগুলো আছে। এটা ইতিবাচক দিক। আমরা একবার খেললে পরের সিরিজও একটু হলেও তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে যাবে।’

২০২৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত অধিনায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল লিটনকে। পরে বাড়িয়ে ২০২৮ বিশ্বকাপ পর্যন্ত করা হয়েছে। বোর্ডের সাথে খুব বেশি কথা না হলেও অধিনায়ক হিসেবে পরিকল্পনা জানিয়েছেন লিটন, ‘সত্যি বলতে খুব একটা আলোচনা হয়নি। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাকে, মনে করেছে আমি যোগ্য এখানকার জন্য। আমার কাজটা করার চেষ্টা করব। দল যেভাবে ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিল, এখন অনেক সময় আছে, প্রস্তুতি সেভাবেই থাকবে।’

Scroll to Top