অন্য একটি সূত্র অবশ্য জানিয়েছে, ঘাস লাগানোর সময় কাজে কয়েকবার বিরতি পড়ে। কিছু ঘাস আগে, কিছু ঘাস পরে লাগানো হয়। ঘাস লাগানোর সময় এবং ঘাস লাগানোর পর পরিচর্যার কাজটাও ঠিকভাবে হয়নি। এসব কারণেও মাঠে বাজে ঘাসের প্রাদুর্ভাব হতে পারে। এখন সেই বাজে ঘাস বাছতে গিয়ে উজাড় করে ফেলতে হচ্ছে মাঠই, লাগাতে হচ্ছে নতুন ঘাস।
২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত মাঠ সংস্কারের বিশাল কর্মযজ্ঞে সরকারের খরচ হয় ১৫৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। কিন্তু উদাসীনতা ছিল ঘাস লাগানোতে। দায়টা বাফুফেকেই নিতে হবে কারণ, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) খরচে ঘাস লাগানোর কাজটা করেছিল তারা।
বাফুফের কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান গোলাম গাউস বাড়তি দায়িত্ব হিসেবে মাঠ দেখভালের কাজও করছেন। কাল প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘যারা কাজটা করেছিল, তারা কয়েক রকমের ঘাস রোপণ করে। সে কারণেই সমস্যা হয়েছে।’ নতুন ঘাস লাগানোর বিষয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘এবার শুধু বারমুডা ঘাস লাগানো হবে। আমরা যাদের কাজটা দিয়েছি, তাদের বলেছি বিদেশ থেকে এই ঘাস আনতে। তারপরও আমরা ঘাসের মান ভালোভাবে যাচাই করব।’ বাফুফে নতুন করে ঘাস লাগানোর কাজ দিয়েছে মেটাফোর স্পোর্টস নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে।



