১৪টি তেজপাতার চারা থেকে বদলে গেল গোলজারের জীবন

টেপামধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের পেছনেই জোহরা খাতুনের বাড়ি। তাঁর স্বামী জিয়াউল হক অসুস্থ। আগে অন্যের তেজপাতাবাগানে কাজ করতেন জোহরা। বাড়ির সামনে ২১ শতক জমি ও আঙিনায় তেজপাতার বেশ কিছু চারা লাগিয়েছিলেন তিনি। এখন তেজপাতা বিক্রি ও গাভি পালনের আয় দিয়ে সংসার খরচ মেটাচ্ছেন। তেজপাতা বিক্রির টাকায় এ পর্যন্ত চার শতক জমি কিনেছেন।

৩১ জুলাই জোহরার বাড়িতে যান প্রথম আলোর এই প্রতিবেদক। তিনি বলেন, ‘তেজপাতায় কোনো লস নাই, তেমন খরচও নাই।’

টেপামধুপুর গ্রামের মোখলেছার রহমান, ছমছের আলী, লেবু মিয়া, আসাদুজ্জামান, আবদুল জব্বার, সদরা তালুক গ্রামের আবু বক্কর, আরাজী কানুয়া গ্রামের মোবারক হোসেনও তেজপাতা চাষ করে একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা বললেন। তাঁদের হিসাবে, আগে এক একর জমির ধান বিক্রি করে বছরে লাভ হতো ৩০-৪০ হাজার টাকা। একই জমিতে তেজপাতা ও আদা–হলুদ চাষ করে আয় করেছেন প্রায় দুই লাখ টাকা। প্রতি একর জমিতে তেজপাতা চাষ করতে খরচ হয় ১২-১৪ হাজার টাকা।
কাউনিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আকতার জানান, লাভ বেশি হওয়ায় লোকজন ধানি জমিতেও তেজপাতার চাষ করছেন। তেজপাতার চাষ বাড়াতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Scroll to Top