বিজ্ঞানী পিটার আর্মব্রাস্টার এবং গটফ্রিড মুনজেনবার্গের নেতৃত্বে জিএসআইয়ের বিজ্ঞানীরা হ্যাসিয়াম মৌল শনাক্তের জন্য প্রথমে লেড-২০৮ পরমাণুকে আয়রন-৫৮ আয়ন দিয়ে আঘাত করে একটি ফিউশন বিক্রিয়া ঘটান। এর ফলে তৈরি হয় হ্যাসিয়ামের ২৬৫ ভরের একটি আইসোটোপ। এই আইসোটোপ ছিল অত্যন্ত অস্থির, যার অর্ধায়ু ছিল মাত্র ২ মিলিসেকেন্ড।
হ্যাসিয়াম তৈরির চেষ্টা অবশ্য আরও আগে শুরু হয়েছিল। ১৯৭৮ সালে রাশিয়ার দুবনায় অবস্থিত জয়েন্ট ইনস্টিটিউট ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চে ইউরি ওগানেসিয়ান এবং ভ্লাদিমির উতিয়নকভের নেতৃত্বে একটি দল রেডিয়ামের ওপর ক্যালসিয়াম দিয়ে আঘাত করে এই মৌল তৈরির চেষ্টা করেন। ১৯৮৩ সালে তাঁরা বিসমাথের ওপর ম্যাঙ্গানিজ এবং ক্যালিফোর্নিয়ামের ওপর নিয়ন প্রবেশ করিয়ে আরও কিছু আইসোটোপ তৈরির দাবি করেন।


