বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের স্বাক্ষরযুক্ত ১০০০, ৫০০ ও ১০ টাকার নতুন নোট বাজারে ইস্যু করা হয়েছে।
সোমবার ১৮ মে প্রাথমিকভাবে এসব মূল্যমানের নোট বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে বাজারে ছাড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মূল্যমানের নোটও ইস্যু করা হবে।
জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী প্রণীত ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নকশার ভিত্তিতে এসব নতুন নোট বাজারে আনা হয়েছে।
একই সঙ্গে বাজারে নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে আগে ছাপানো নোটও সরবরাহ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাজারে ফ্রেশ নোটের ঘাটতির কারণে সাম্প্রতিক সময়ে ছেড়া-ফাটা নোটের ব্যবহার বেড়েছে, যা গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে।
এই পরিস্থিতি মূলত ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন নকশার নোট চালুর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় তৈরি হয়।
সাধারণত নতুন নকশার নোট বাজারে আনতে ১২ থেকে ১৮ মাস সময় লাগে। ফলে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, ব্যাংকগুলো প্রতিদিনই কেন্দ্রীয় ব্যাংকে টাকা জমা ও উত্তোলন করে। তবে ঈদের আগে উত্তোলনের পরিমাণ বেশি থাকে। চলতি সপ্তাহে রোববার ও সোমবার ব্যাংকগুলোর নেওয়া অর্থের বড় অংশই ছিল ফ্রেশ নোট।
বাজারে ছেঁড়া-ফাটা নোট কমানো এবং গ্রাহকদের নতুন নোট সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন গভর্নরের স্বাক্ষরযুক্ত ২০, ৫০ ও ১০০ টাকার নোটও পর্যায়ক্রমে ইস্যু করা হবে।
নতুন নোটগুলোর রং, আকৃতি, নকশা ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত থাকবে। বর্তমানে প্রচলিত সব কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রা আগের মতোই বৈধ থাকবে।




