একটা পর্যায়ে গিয়ে রাষ্ট্র ও ‘হোয়াটসঅ্যাপ আঙ্কেল’দের ভাষা যেন একই রকম হতে শুরু করে। তারা বলতে থাকে, আরও একটি ভাষা শেখো, নাহলে বিপদ আছে। এটা খাও, ওটা খেয়ো না। এভাবে বিয়ে করো, নাহলে ফল খারাপ হবে। এমন পোশাক পরো, তা না হলে ভুগতে হবে। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, ‘চাকরি না পেলে নিজে কিছু একটা করো।’
সম্প্রতি অনলাইনে অনেক আন্দোলনকারী জানিয়েছেন, তাঁরা পরিবারের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলো থেকে বেরিয়ে আসছেন। কারণ, এসব গ্রুপ এখন গোঁড়ামি আর চিন্তাভাবনা নিয়ন্ত্রণের আস্তানায় পরিণত হয়েছে।
প্রজন্মের এই নাটকীয় পরিবর্তনের দুটি উদাহরণ উল্লেখ করা যেতে পারে, যে পরিবর্তন শুধু ভারতেই সীমাবদ্ধ নেই, এটি এখন বিশ্বজুড়েই ঘটছে। বলা যেতে পারে, একটি বিস্তৃত পরিসরে আরেকটি সীমিত পরিসরে।


