রাদিফা নারমিন : অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় মায়ের হাত ধরে প্রথম থিয়েটারের সঙ্গে পরিচয়। আরশিনগরের একটি অভিনয় কর্মশালার মাধ্যমে সেই যাত্রা শুরু। অষ্টম শ্রেণিতে প্রথমবার ‘সিদ্ধার্থ’ নাটকে কাজ করি।
এ ছাড়া নয় বছর ধরে নিয়মিত নাচ করছি। মা–বাবাই নাচের সঙ্গে যুক্ত করেন। বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে দিনের পর দিন, কখনো সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুশীলন করেছি। প্রথমবার মঞ্চে নাচার অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে নাচই যেন আমাকে বিকশিত হতে সাহায্য করেছে। ২০২৩ সালে কত্থক নৃত্যে ‘খ’ বিভাগে প্রথমবারের মতো গোল্ড মেডেল পাই।
প্রথম আলো :
‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’র সঙ্গে ২৮ বছর আগের জনপ্রিয় ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র আবেগ জড়িয়ে আছে। এটা কি বাড়তি চাপ?
রাদিফা নারমিন : সত্যি বলতে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র মতো মাইলফলক সিনেমাকে চাপ মনে করিনি। বরং দর্শক হঠাৎ বৃষ্টিকে যেভাবে দেখেছেন, যেভাবে অনুভব করেছেন, সেই জায়গাটা মাথায় রেখেই নতুন করে দীপাকে বোঝার চেষ্টা করেছি। দীপা অতীতকে হুবহু ফিরিয়ে আনতে আসেনি। সময়ের সঙ্গে মানুষের আবেগ যেমন বদলায়, দীপা সেই পরিবর্তনেরই প্রতিচ্ছবি। সেই দুই সময়ের মধ্যে একটা সেতু তৈরি করার সুযোগ পাওয়া এবং অনেক মানুষের প্রিয় একটি গল্পে নিজের অনুভূতি যোগ করতে পারা—আমার কাছে দারুণ প্রাপ্তি।


