তবে ফ্রান্স যে স্পেনকে ছাড় দেয়নি, তা-ও নয়। ২০২১ সালের নেশনস লিগ ফাইনালে ২-১ এবং ১৯৮৪ সালের ইউরো ফাইনালে ২-০ গোলে ফরাসিরাই জিতেছিল। আর বিশ্বকাপের মঞ্চে তাদের একমাত্র দেখা হয়েছিল ২০০৬ সালের শেষ ষোলোতে, যেখানে জিনেদিন জিদানের মাস্টারক্লাসে ফ্রান্স জিতেছিল ৩-১ গোলে।
কিন্তু সে তো ইতিহাস। বিশ্বকাপের এই আসরে কে কতটা দাপুটে? ফাইনালের আগে দুই দলের ফর্ম বিচার করলে ফ্রান্সকে একটু বেশি আত্মবিশ্বাসী মনে হবে। নকআউট পর্বে তারা এখনো কোনো গোল হজম করেনি। শেষ ৩২-এ সুইডেনকে ৩-০, শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়েকে ১-০ এবং কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়ে তারা এখানে এসেছে। সবচেয়ে বড় কথা, ফ্রান্সকে এখনো খুব বড় কোনো কঠিন পরীক্ষার ভেতর দিয়ে যেতে হয়নি।
অন্যদিকে স্পেনকে বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। নকআউট পর্বে পর্তুগালকে ১-০ এবং কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়েছে স্পেন। এই দুই ম্যাচে জয়গুলো এসেছে একেবারে শেষ মুহূর্তে, বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনোর জাদুতে।


