এখন বুঝি, আমাদের শৈশব-কৈশোরের প্রতিটি দিনই আসলে ছিল এক একটি নারী দিবস। নিজেদের অজান্তেই প্রাত্যহিক জীবনে আমরা তা পালন করে গেছি। নারী দিবস তখন ক্যালেন্ডারের পাতায় দেখিনি, দেখেছি আব্বার মানসিকতায়। তাঁকে দেখে আমরাও শিখেছি—আম্মা পড়বেন, চাকরি করবেন। এটা তাঁর স্বাধীনতা, অধিকার। বাকি যা থাকবে, তাঁর কাছে সেটা আমাদের অধিকার। আম্মা সে অধিকারের সবটুকুই আমাদের উজাড় করে দিয়েছেন।
আব্বা আজ নেই। আম্মা আছেন এবং আরও অনেক বছর থাকবেন ইনশা আল্লাহ। আপনাদের দুজনকেই নারী দিবসের শুভেচ্ছা। এই ৮ মার্চের তো বটেই, আমার শৈশব থেকে যত ৮ মার্চে আজ অবধি আপনাদের নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানাতে পারিনি, সেই সব ৮ মার্চের বকেয়া শুভেচ্ছাও আজকে নিন।
বেঁচে থাকলে সামনের ৮ মার্চ আম্মাকে একটা বেগুনি রঙের শাড়ি কিনে দেব। আব্বাকে তো কিছুই দিতে পারব না। তার দরকারও নেই। নারী দিবসের প্রতিপাদ্যই তো আপনার, আপনাদের জীবনাচরণের অদৃশ্য কালিতে লেখা। স্রষ্টার কি আর উপহারের দরকার হয়!

