এই দুই রাজনীতিবিদ উঠে এসেছেন অভিবাসী পরিবার থেকে। ফিয়েখতারের বয়স ২৯ ও জেনিসের ৩১ বছর। জেনিসের মা–বাবা তুরস্কের। অন্যদিকে ফিয়েখতারের মা কানাডার নাগরিক এবং ফিয়েখতার নিজেও দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী।
ফিয়েখতার বার্ন ক্যান্টনের (অঙ্গ) পার্লামেন্টে সুইস পিপলস পার্টির প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি আক্ষেপ নিয়ে বলেন, ‘আমরা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি। অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের কারণে সুইজারল্যান্ড তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যতা হারাচ্ছে।’
ফিয়েখতারের মতে, ‘আবাসনসংকট, ভয়াবহ যানজট, স্কুলগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ ও সামাজিক সেবা ভেঙে পড়া’র মতো সমস্যাগুলো সুইজারল্যান্ডে প্রকট হচ্ছে। এসবের পেছনে সরাসরি অভিবাসনই দায়ী।
অন্যদিকে বার্ন সিটি কাউন্সিলে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট দল থেকে নির্বাচিত জেনিস এসব যুক্তিকে স্রেফ ‘বলির পাঁঠা’ বানানোর চেষ্টা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বিবিসি নিউজকে বলেন, অভিবাসীরা বাসাভাড়া নির্ধারণ করেন না। স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়ামও তাঁরা বাড়ান না। এমনকি আবাসন, অবকাঠামো বা সামাজিক বিনিয়োগের মতো বিষয়ে তাঁরা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও নেন না। তিনি আরও বলেন, যেকোনো সমস্যাকে শুধু অভিবাসনের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে সমাধান আসে না; বরং এতে বিভক্তিই বাড়ে।
যেসব ভোটার এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি, তাঁদের কাছে মূল প্রশ্ন হলো জনসংখ্যার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের ব্যবস্থা বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে।



