সালমান আগা আর মোহাম্মদ রিজওয়ানের জুটিতে পাকিস্তান এগোচ্ছিল ভালোভাবেই। বাংলাদেশ জুটি ভাঙতে পারছিল না, ম্যাচও এগোচ্ছিল ঢিমেতালে। এর মধ্যেই হুট করে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। আউট হয়ে হেলমেট–গ্লাভস ছুড়ে মারেন সালমান আগা, তর্কে জড়ান লিটন দাস সঙ্গেও।
ঘটনাটি আজ বাংলাদেশ–পাকিস্তান দ্বিতীয় ওয়ানডের ৩৯তম ওভারের। বোলার ছিলেন মিরাজ, ব্যাটিংয়ে রিজওয়ান ও সালমান। ওভারের চতুর্থ ডেলিভারিতে সোজাসুজি খেলেন রিজওয়ান। বল পা দিয়ে থামান মিরাজ। পুরোপুরি না থামা বলটাই হাত দিয়ে ধরার চেষ্টা করেন নন স্ট্রাইক প্রান্তে থাকা সালমান, তবে এ সময় তিনি পপিং ক্রিজের বাইরে ছিলেন।
একই সময়ে সালমান–মিরাজ দুজনে বলের দিকে হাত বাড়ালেও মিরাজই সেটি আগে তুলে নেন, এরপর আন্ডার আর্ম থ্রোতে স্টাম্প ভেঙে দেন। এরপর আম্পায়ার তানভীর আহমেদের কাছে রানআউটের আবেদনও করেন। তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে সিদ্ধান্ত যাওয়ার আগেই মিরাজকে উদ্দেশ্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সালমান।
তিনি অবশ্য জানতেন, নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে আউট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরতে হবে। টিভি আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা একবার রিপ্লে দেখেই সেই সিদ্ধান্তটা জানিয়ে দেন। ক্ষুব্ধ সালমান ড্রেসিংরুমের দিকে ফেরার পথে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের দিকে তাকিয়ে হাত দিয়ে কিছু একটা ইঙ্গিত করেন।
সালমানের এমন প্রতিক্রিয়ার এক পর্যায়ে বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লিটন দাসকেও ক্ষুব্ধ হতে দেখা যায়। তখন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান রিজওয়ান তাঁকে শান্ত করতে এগিয়ে যান। এমন সময়ে বোলার মিরাজকেও খেপে উঠতে দেখা যায়, তাঁকে বোলিং প্রান্তের দিকে নিয়ে যান নাজমুল হোসেন।
ক্ষুব্ধ সালমান আগা ড্রেসিংরুমের পথে বাউন্ডারি সীমানা পার হওয়ার মুহূর্তে গ্লাভস ও হেলমেট ছুড়ে মারেন। তবে বল ‘ডেড’ হওয়ার আগে ক্রিজের বাইরে থাকায় নিয়মানুযায়ীই রানআউট হয়ে ফিরতে হয়েছে তাঁকে। রিজওয়ানের সঙ্গে ১০৯ রানের জুটিতে সঙ্গ দেওয়া সালমান ৬২ বলে ৬৪ রান করেছেন।



