এর আগে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী জানিয়েছিলেন, বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রস্তুতে যেন কোনো ত্রুটি না থাকে, সে জন্য খসড়া ফলাফলটি অধিকতর যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
সন্তানদের পরীক্ষার ফল নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন অভিভাবকেরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক প্রথম আলোকে বলেন, বাচ্চারা এপ্রিল মাসে পরীক্ষা দিয়েছে। এখন তারা ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন পরিবেশে ক্লাস করছে। বৃত্তির ফলের ওপর ওদের একটা মানসিক আত্মবিশ্বাস নির্ভর করে। ফল দিতে দেরি হলে সেই আগ্রহটাই মাটি হয়ে যায়। কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল জুন মাসের মধ্যেই এটি প্রকাশ করা।
ফল মিলবে অনলাইনে ও এসএমএসে—
অধিদপ্তর জানায়, ফল প্রকাশের পর অভিভাবকেরা অনলাইন ও মোবাইল এসএমএসের (SMS) মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। অনলাইনে রেজাল্ট দেখার অফিশিয়াল মাধ্যম হলো ‘আইপিইএমআইএস’ (IPEMIS) পোর্টাল।


