সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো। সিপিবি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ১৭ জনকে প্রার্থী করেছে।
সিপিবি থেকে মনোনয়ন পাওয়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থীরা হলেন নিমাই চন্দ্র রায় (লালমনিরহাট–২), মধুসূদন রায় (লালমনিরহাট–৩), শিপন কুমার রবিদাস (বগুড়া–৫), কিশোর কুমার রায় (খুলনা–১), চিত্ত রঞ্জন গোলদার (খুলনা–৫), প্রশান্ত কুমার মণ্ডল (খুলনা–৬), মানবেন্দ্র দেব (গাজীপুর–৪), মন্টু চন্দ্র ঘোষ (নারায়ণগঞ্জ–৫), নীরদ বরণ মজুমদার (গোপালগঞ্জ–১), নিরঞ্জন দাস (সুনামগঞ্জ–২), জহর লাল দত্ত (মৌলভীবাজার–৩), অমৃত কুমার রায় (দিনাজপুর–৩), মিহির কুমার ঘোষ (গাইবান্ধা–২), শ্রী নিরমল (গাইবান্ধা–৫), ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (ঢাকা–৮), কল্লোল বনিক (ঢাকা–১২) ও প্রমোদ বরন বড়ুয়া (চট্টগ্রাম–৭)।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছয়জনকে মনোনয়ন দিয়েছে বাসদ। তাঁরা হলেন কালিপদ সরকার (নওগাঁ–৩), শম্পা বসু (মাগুরা–১), জনার্দন দত্ত (খুলনা–৩), মনীষা চক্রবর্ত্তী (বরিশাল–৫), প্রণব জ্যোতি পাল (সিলেট–১) ও মিলন কৃষ্ণ মণ্ডল (লক্ষ্মীপুর–৪)।
বাসদ (মার্ক্সবাদী) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাতজনকে মনোনয়ন দিয়েছে। তাঁরা হলেন প্রগতি বর্মণ তমা (রংপুর–৪), পরমানন্দ দাস (গাইবান্ধা–১), শেখর কুমার রায় (ময়মনসিংহ–৪), সীমা দত্ত (ঢাকা–৭), সঞ্জয় কান্ত দাস (সিলেট–১), বিটুল চন্দ্র তালুকদার (নোয়াখালী–৪) ও দীপা মজুমদার (চট্টগ্রাম–১১)।
জেএসডির প্রার্থী হিসেবে খুলনা–১ আসনে নির্বাচন করছেন প্রসেনজিৎ দত্ত। বাংলাদেশ জাসদের হয়ে ভোট করছেন গৌতম চন্দ্র শীল (পটুয়াখালী–১) ও বড়ুয়া মনোজিত ধীমন (কুমিল্লা–১)।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টিও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুজনকে প্রার্থী করেছে। তাঁরা হলেন চম্পা রানী সরকার (নেত্রকোনা–৪) ও জুঁই চাকমা (রাঙামাটি)।

