বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) সূত্র বলছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জ্বালানির দাম বিশ্ববাজারে প্রতিদিন বাড়ছে। চীন, জাপান, ইউরোপের দেশগুলো জ্বালানি কিনতে প্রতিযোগিতা করছে। এর মধ্যেই কাতারের এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ১৫ ও ১৮ মার্চ কাতার থেকে দুটি কার্গো দেশে আসার কথা ছিল। এ দুটি আসবে না। কেননা, কাতার এলএনজি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ছে।
গ্যাস–সংকটের দুশ্চিন্তা থেকে সরবরাহ দিনে ২০ কোটি ঘনফুট কমানো হয়েছে। তবে গত বুধবার খোলাবাজার থেকে দুই কার্গো এলএনজি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া প্রতি ইউনিট সাড়ে ২৪ ডলার করে নিচ্ছে, যা ২০ মার্চ সরবরাহ করার কথা। আর গানভর দেবে প্রতি ইউনিট ২৮ ডলার করে, তাদের কার্গো ১৭ মার্চ আসার কথা রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে এটি কেনা হচ্ছিল ১০ ডলার করে। এতে করে চলতি মাসে গ্যাসের সরবরাহ ধরে রাখা যাবে বলে মনে করছে পেট্রোবাংলা।



