শেরপুরে এখনো বহু মানুষ পানিবন্দী, এপর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু

শেরপুরে এখনো বহু মানুষ পানিবন্দী, এপর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু

এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ

নিম্নাঞ্চলে ঢলের পানি নামার গতি ধীর হওয়ায় শেরপুর জেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। সদর, নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার নিম্নাঞ্চলের ৯ ইউনিয়নের ২০ গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। ওইসব এলাকায় বাড়িঘর ও আশপাশ পানিতে নিমজ্জিত থাকার রান্না-বান্না করতে না পারায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে পানিবন্দিদের রান্না করা খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবার সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় খাদ্য সহায়তা খুবই অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন বানভাসীরা।

GOVT

ঢলের পানির তোড়ে নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় প্রায় দুই সহস্রাধিক মাটির দালান বিধ্বস্ত ও ৩ হাজার কাঁচা ঘরবাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানি নেমে যাওয়া এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ ও পুণর্বাসন কার্যক্রম চালানোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

এবার শেরপুর জেলায় ৩৮৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যাকবলিত হয়েছে। তন্মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩০২ টি এবং কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার সংখ্যা হলো ৮৭টি। পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করায় মাধ্যমিকের ৮৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কমকর্তারা জানিয়েছেন।

এদিকে, গত দুই দিনে শেরপুর সদর নকলা উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়া ২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এনিয়ে চলতি বন্যায় গত ৫ দিনে বন্যায় ১১ জনের মৃত্যু ঘটেছে।

Scroll to Top