বৈঠকে শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ ও বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অক্সফোর্ড পলিসি ম্যানেজমেন্টের থ্রাইভ প্রোগ্রামের কান্ট্রি রিসার্চ ম্যানেজার মো. তারেক হোসেন। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ইসিডি নিয়ে সরকারের নীতিগত অবস্থান ভালো। তবে নীতি বাস্তবায়নে মূলত চারটি ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ দেখা যায়। সেগুলো হচ্ছে কাজে সমন্বয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা, জনশক্তি ও তদারকি, গুণগত মানের নিশ্চয়তা এবং অর্থায়ন ও পরিকল্পনা। ফলে যে মানের সেবার প্রত্যাশা করা হয়, তা পাওয়া যায় না। ইসিডির সুফল পেতে সরকারি বরাদ্দের মধ্যে আন্তমন্ত্রণালয় ও সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ইসিডি কার্যক্রমকে সমন্বয় করে তা জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণ করতে হবে।
ইউনিসেফের শিক্ষাবিষয়ক ব্যবস্থাপক মো. ইকবাল হোসেন ইসিডি কার্যক্রমের মাধ্যমে কতটুকু অগ্রগতি হলো, কাজের মূল্যায়ন কী, সেসব সম্পর্কে প্রতিবছর প্রতিটি মন্ত্রণালয় যেন প্রতিবেদন দেয়, সেই ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
সিনারগোস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর এষা হোসেন শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশের সঙ্গে শিশুর অসতর্কতা ও অবহেলাজনিত মৃত্যু বন্ধে জোরালো পদক্ষেপ নিতে বলেন।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের (আইইডি) কর্মসূচি প্রধান সৈয়দা সাজিয়া জামান পাইলট প্রকল্পগুলোকে জাতীয় পর্যায়ে উন্নীত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করার পর এই অবস্থানে এসেছে দেশ। এখানে অর্জনও আছে। এ অর্জনকে টেকসই করতে বাধাগুলো দূর করতে হবে।



