বুধবার রাতে বিজয় ’২৪ হলের ছাত্রীদের শৌচাগার ও গোসলখানার ভেন্টিলেটর দিয়ে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে ক্যানটিনকর্মী ইমাম হাসানকে আটক করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাঁকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। একই ঘটনায় তাঁর স্ত্রীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও যৌন হয়রানির অভিযোগগুলোর বিচার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে, গত ১৮ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে মেসেঞ্জারে অশালীন বার্তা পাঠানো ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে ডিসিপ্লিন প্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রের গঠিত সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি অভিযোগের তদন্ত করছে।
এ ছাড়া গত বছরের আগস্টে বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রুবেল আনছারের বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে। তদন্ত শেষে গত ২৮ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় একটি অভিযোগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তবে অন্য অভিযোগে তাঁকে দুই বছরের জন্য পাঠদান, পরীক্ষা গ্রহণসহ সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।



