গত মাসেও নারী ও শিশু নির্যাতনের বিভিন্ন ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে আলোচিত ঘটনার একটি ছিল রাজধানীর বনানী এলাকায় গত ১২ অক্টোবর নিম্নবিত্ত পরিবারের এক শিশুকে (৯) এক ব্যক্তি একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় শিশুর মাসিক ও মলত্যাগের রাস্তা এক হয়ে গেছে।
১৯ অক্টোবর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় গৃহকর্মী কল্পনাকে (১৩)। বাসার মালিক দিনাত জাহান তাঁকে নির্যাতন করতেন। কল্পনাকে যখন উদ্ধার করা হয়, তখন তাঁর সামনের চারটি দাঁত ভাঙা, সারা গায়ে মারধর ও ছ্যাঁকার ক্ষত ছিল।
বনানীতে ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে ওসিসি থেকে বাড়ি নিয়ে গেছেন মা–বাবা। আর গৃহকর্মী কল্পনা এখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন।
এরই মধ্যে ২১ অক্টোবর নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের দুর্গম চরে মা ও মেয়েকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
এ পরিস্থিতিতে নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে সারা দেশে ‘র্যাপিড রেসপন্স টিম’ (দ্রুত সাড়াদানকারী দল) গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ। একাধিক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, এ দলে প্রশাসন, পুলিশ, আইনজীবী, কাউন্সিলর ও তরুণ সমাজের উপস্থিতি থাকবে। যে করেই হোক নির্যাতন কমিয়ে আনা এ সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।



