২০২৩ সালে নিউইয়র্কের একটি জুরি সর্বসম্মতভাবে ক্যারলের পক্ষে রায় দিয়ে তাঁকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। তবে ট্রাম্প শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
রায় ঘোষণার কিছুদিন পর ট্রাম্প ক্ষতিপূরণের অর্থ আদালতের নিয়ন্ত্রিত একটি হিসাবে জমা রাখেন। আপিলপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে অর্থ সেখানেই রাখা হয়।
ট্রাম্পের আইনজীবীরা বিচারকের ক্ষতিপূরণ পরিশোধের নির্দেশের সমালোচনা করে মামলাটিকে ‘প্রতারণা’ এবং ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দেন। তাঁদের দাবি, ডেমোক্র্যাটরা এই মামলার পেছনে অর্থায়ন করেছে।
এ ছাড়া ট্রাম্প বারবার অভিযোগ করেছেন, দেওয়ানি মামলার বিচারক লুইস ক্যাপলান এমন কিছু প্রমাণ গ্রহণ করেছিলেন, যা জুরিদের তাঁর বিরুদ্ধে প্রভাবিত করেছিল।
গত বছর একটি ফেডারেল আপিল আদালত জুরির রায় বহাল রাখেন। আদালত বলেছেন, বিচারক ক্যাপলান এমন কোনো আইনি ভুল করেননি, যার কারণে নতুন করে বিচার করার প্রয়োজন হতে পারে।



