বাংলাদেশের অভিবাসনব্যবস্থায় মধ্যস্বত্বভোগী, অস্বচ্ছ ফি, প্রতারণা ও অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। জাপানের মতো বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি এমনিতেই ব্যয়সাপেক্ষ। এর সঙ্গে নিয়োগের অনিশ্চয়তা যুক্ত হলে একজন তরুণ ও তাঁর পরিবারের জন্য ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
অন্যদিকে, জাপানি নিয়োগকর্তারাও এমন অংশীদার চান, যাদের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্যভাবে উপযুক্ত কর্মী পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ যদি স্বচ্ছ নিয়োগ, যাচাই করা প্রশিক্ষণ এবং গ্রহণযোগ্য ব্যয়ের নিশ্চয়তা দিতে না পারে, তাহলে শুধু জনশক্তির প্রাচুর্য দিয়ে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা সম্ভব নয়।
আমাদের ভুল ছিল, অভিবাসনকে অনেকাংশে ব্যক্তির নিজস্ব উদ্যোগ ও আর্থিক সামর্থ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়া। অথচ রাষ্ট্রের কাজ হওয়া উচিত ছিল নিয়োগ ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, অনুমোদিত নিয়োগকারীর কার্যকর তদারকি এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা গড়ে তোলা। শ্রমিক বিদেশে যাওয়ার আগেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়লে উচ্চ আয়ের চাকরির সুফলও অনেকাংশে ম্লান হয়ে যায়।

