বিপিসি গত এক যুগে কয়েকটি এলপিজি অবকাঠামো প্রকল্পের কথা ভাবলেও কোনোটিই বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ২০১২ সালে মোংলা বন্দর শিল্প এলাকায় এবং ২০১৪ সালে সীতাকুণ্ডে বার্ষিক এক লাখ টন সক্ষমতার এলপিজি মজুতাগার ও সরবরাহ প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। মাতারবাড়ীতেও বড় আকারের এলপিজি টার্মিনালের পরিকল্পনা ছিল। তবে তিন প্রকল্পেরই সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যকরভাবে এগোয়নি।
এ বিষয়ে বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান প্রথম আলোকে বলেন, মাতারবাড়ীতে টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম নগরের উত্তর কাট্টলি এলাকায় একটি এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হবে।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা এম শামসুল আলম বলেন, ভবিষ্যতে বিপিসিকে ধীরে ধীরে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে বোতলজাতকরণ, সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য নতুন অবকাঠামো ও প্ল্যান্ট স্থাপনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বলেন, বিপিসি তেল বিক্রি করে নিয়মিত মুনাফা করছে। সর্বশেষ অর্থবছরেও প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা মুনাফা করেছে। সে হিসেবে নতুন অবকাঠামো গড়ে তোলার সক্ষমতা তাদের রয়েছে।



