ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের নতুন মৌসুম। রোববার লস অ্যাঞ্জেলস এফসির বিপক্ষে শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে ধাক্কা খেয়েছে লিওনেল মেসিদের ইন্টার মিয়ামি। ৩-০তে হারের ম্যাচে নিষ্প্রভ ছিলেন মেসিও। তবে নতুন মৌসুমে কিংবদন্তি মেসির সামনে সুযোগ রয়েছে বেশ কিছু রেকর্ড ভাঙার।
এমএলএসের ইতিহাসে পাঁচজন খেলোয়াড় দুটি গোল্ডেন বুট জিতেছেন, কিন্তু তাদের কেউই টানা দুই বছর জিততে পারেননি। দুটি গোল্ডেন বুট জিতেছেন প্রেকি, টেলর টুয়েলমান, জেফ কুনিংহাম, ক্রিস ওন্ডোলভস্কি ও ব্রাডলি রাইট-ফিলিপস। গত মৌসুমে ২৯ গোল করে এই পুরস্কার জিতেছিলেন মেসি। এবার মেসির সামনে সুযোগ ইতিহাস গড়ে টানা দুটি গোল্ডেন বুট জেতার।
এমএলএস ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল করা আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় হলেন ডিয়েগো ভ্যালেরি। ২৮৮ ম্যাচে ৯৩ গোল করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে মেসির বর্তমান গোলসংখ্যা ৫৭। ভ্যালেরিকে ছুঁতে আরও ৩৬ গোল করতে হবে তাকে। ২০২৬ সালে এই রেকর্ড ভাঙতে মেসিকে কিছুটা কষ্ট করতে হবে, কিন্তু এটা অসম্ভব নয়।
এদিকে ইন্টার মিয়ামির শীর্ষ গোলস্কোরার হয়েছেন মেসি। এমএলএসে ৫০ গোল ও ২৮ অ্যাসিস্ট তার। এই মৌসুমে ক্লাব ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০ লিগ গোলে (গোল ও অ্যাসিস্ট মিলে) অবদান রাখতে পারেন মেসি। মানে এই কীর্তি গড়তে আরও ২২ গোলে অবদান রাখতে হবে।
ইন্টার মিয়ামির হয়ে লিগে এখন পর্যন্ত দুটি হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি। বর্তমান রেকর্ডধারী জোসেফ মার্টিনেজের চেয়ে পাঁচটি পেছনে এই আর্জেন্টাইন। শেষবার মেসি এক পঞ্জিকাবর্ষে পাঁচ হ্যাটট্রিক করেছিলেন ২০১৮ সালে, বার্সেলোনার হয়ে। এই বছর এমএলএসে সেই ফর্ম ফেরাতে পারলে মার্টিনেজকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন এলএমটেন।
গত দুটি এমএলএস মৌসুমে মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড জিতেছিলেন মেসি। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা দুবার এই পুরস্কার জেতেন তিনি। আর কেবল একজন দুইবার এই পুরস্কার পেয়েছেন, প্রেকি (১৯৯৭ ও ২০০৩)। মেসি যদি এটি টানা তৃতীয় বছর জেতেন, তিনি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এমএলএস ইতিহাসে তিনবার মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ডস পাবেন।



