ফিনালিস্সিমা বাতিল হওয়ার পর গুয়েতেমালার বিপক্ষে ছিল আর্জেন্টিনার ম্যাচ, সেটিও বাতিল। এরপর প্রায় অনিশ্চিত ছিল বিশ্বকাপের আগে লিওনেল মেসিদের প্রস্তুতির বিষয়টি। সেই আন্তর্জাতিক বিরতিতে প্রীতি ম্যাচের আয়োজনের কথা জানাল আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। এই মার্চে মৌরিতানিয়া এবং জাম্বিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে দেশটি। বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কে মেসির দেশের মাটিতে শেষ ম্যাচ হতে পারে এটি।
আলবিসেলেস্তেদের মূলত কাতারে স্পেনের বিপক্ষে ফিনালিস্সিমা খেলার কথা ছিল, এরপর স্বাগতিক কাতারের বিপক্ষে একটি ম্যাচ নির্ধারিত ছিল। দুটি ম্যাচই কাতার ফুটবল ফেস্টিভালের অংশ হিসেবে আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। ফিনালিস্সিমা হওয়ার কথা ছিল লুসাইল স্টেডিয়ামে, যে স্টেডিয়ামে মেসি শেষ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ সংকটে ম্যাচগুলো বাতিল হয়েছে। পরে এএফএ গুয়েতেমালার বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করেছিল।
২৭ মার্চ ইতালিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে গুয়েতেমালার প্রীতি ম্যাচ আছে। ফলশ্রুতিতে আর্জেন্টিনা এবং গুয়েতেমালার ম্যাচটি ফিফা অনুমোদন দেয়নি। সে কারণে বাতিল করা হয়েছে। এরপর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটির ফুটবল সংস্থা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয় যে অন্য দুটি দেশের বিপক্ষে মার্চের ২৭ ও ৩১ তারিখে বুয়েন্স আয়ার্সে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে।
মূলত আর্জেন্টিনা মার্চের আন্তর্জাতিক বিরতিতে বুয়েন্সেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খেলতে চেয়েছিল। একই সময়ে তারা ইউরোপে ম্যাচ খেলবে বলে সম্ভব হয়নি। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, একটি জাতীয় দল একই আন্তর্জাতিক বিরতিতে দুই মহাদেশে খেলতে পারে না।
এদিকে লিওনেল স্কালোনির নেতৃত্বাধীন দলটি বিশ্বকাপ শিরোপা রক্ষার আগে নিজেদের সমর্থকদের বিদায় জানাতে শুরু করেছে। এএফএ জানাচ্ছে, আন্তর্জাতিক বিরতিতে ২৭ মার্চ বুয়েন্সে লা বোমবোনেরা স্টেডিয়ামে মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে এবং ৩১ তারিখ একই ভেন্যুতে জাম্বিয়ার বিপক্ষে খেলবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এএফএ জানিয়েছে, মৌরিতানিয়ার এবং জাম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দুটি বিশ্বকাপের আগে দেশের সমর্থকদের জন্য একপ্রকার বিদায়ী ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হবে। একইসঙ্গে এটি মেসির জন্য ঘরের মাঠে শেষ খেলা হতে পারে।
সম্ভাবনা রয়েছে যে, বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা আর দেশে ফিরবে না। কারণ পরবর্তী ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতি বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে, তখন দলটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করবে।





