গবেষণায় দেখা গেছে, করিডরজুড়ে ভূপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা ২০১৫ সালে ছিল ২৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০২৩ সালে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৩৩ দশমিক ৩ ডিগ্রিতে। ২০২০ সালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নথিভুক্ত করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এ গবেষণায় যুক্ত ছিলেন ছয়জন গবেষক। তাঁরা কাজ শুরু করেছিলেন ২০২২ সালে, শেষ করেন ২০২৪–এ। এ গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘দ্রুত নগরায়ণের কারণে উন্নয়নশীল দেশে এ ধরনের অবকাঠামোর (মেট্রোরেল) প্রয়োজন হয়। এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে অনেক গাছপালা কাটা হয়। কিন্তু এর প্রভাব পরিবেশ ও প্রতিবেশে কেমন পড়ছে, সেটা মনোযোগ পায় কম। আমরা প্রথমবারের মতো এ ধরনের অবকাঠামো কীভাবে স্থানিক তাপমাত্রা বাড়াচ্ছে, সেটার প্রমাণ পেলাম।’ তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘একদিকে আমাদের নগরজীবনকে সহজ করতে এ ধরনের অবকাঠামোর দরকার আছে। একই সঙ্গে আমাদের এর প্রভাব মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিতে হবে।’
মেট্রোরেলের অবকাঠামো নির্মাণ করতে কত গাছ কাটা পড়েছে, সে তথ্য ঢাকার মেট্রোরেল পরিচালনাকারী ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) ও বন বিভাগ কারও কাছেই পাওয়া যায়নি।



